Home / CPD in the Media / CPD study on capital flight cited

CPD study on capital flight cited

Published in Sangbad on Friday, 26 June 2015.

দেশের টাকা বিদেশে পাচারের নেপথ্যে

মোতাহার হোসেন

একটি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ অপরিহার্য। কারণ ‘যত বেশি বিনিয়োগ, তত বেশি কর্মসংস্থান’। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বিগত সময়ে আমাদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অস্থিতিশীলতায় দেশে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ আসেনি, শিল্প-কারখানা স্থাপন হয়নি। এর কুপ্রভাব ইতোমধ্যে দেশের অর্থনীতি, শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যে প্রত্যক্ষ হচ্ছে। এর বড় প্রমাণ হচ্ছে বিদেশে ব্যাংকে প্রতিনিয়ত বেনামে পাচার হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এটা বলতে গেলে আমাদের অর্থনীতির জন্য ‘এক ধরনের রক্তক্ষরণ’। এ প্রবণতা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ, স্থানীয় ভাবে কমংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি দেশের পত্রপত্রিকায় বিদেশি ব্যাংকে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের হতাশাজনক খবর বিদেশি প্রচার মাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

বিদেশি ব্যাংকে দেশ থেকে প্রতিনিয়ত টাকা পাচারের উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে দেশের অর্থনীতির দিকপাল এবং এ নিয়ে গবেষণায়রত বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘দেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় বিদেশে টাকা পাচার বেড়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়া, কানাডা, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি রাষ্ট্রে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সরকারি আমলারা টাকা পাচার করছে। তবে বিগত সময়ে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে (সুইস ব্যাংক) বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের প্রমাণ মিলেছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থ ব্যবস্থা দুর্বল হবে এবং সংকটে পড়বে।

অবশ্য এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। কারণ সরকারি ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক দুর্বলতা, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিনিয়োগ, শিল্পায়নে স্থবিরতায় পরিস্থিতিকে ভায়বহ পরিণতির দিকে ঠেলে দেবে এমন মন্তব্য বিশ্লেষকদের। তারা বলছেন, দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার রোধে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ। তারা বলছেন, এক বছর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক পাচার রোধে যৎসামান্য উদ্যোগ নিলেও বাস্তবে তা কোন কাজে আসেনি। বরং অর্থ পাচার কমার বদলে উল্টো বেড়েছে। তারা এও মনে করেন, দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ না থাকা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতায় অর্থ পাচারের বড় কারণ।

সুইজারল্যান্ডের সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) সাম্প্রতিক প্রকাশিত ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৪’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদন বলেছে, ‘২০১৩ সালের তুলনায় ২০১৪ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ অর্থ বেশি জমা হয়েছে। ৫ বছরের হিসাবে এ পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি।’

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, নির্বাচনের বছরগুলোতে বিশেষ করে ২০১৪ সালের শেষ দিকে ৩ মাস অর্থাৎ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন ঠেকানোর নামে দেশব্যাপী যে নাশকতা, নৈরাজ্য, জ্বালাও পোড়াও, ট্রেন লাইন উৎপাটন, বাস-ট্রাকে আগুন, পেট্রল ঢেলে মানুষ পুড়িয়ে মারা, দেশব্যাপী যানবাহন চলাচলে বাধা, সড়ক-রেল নৌপথে অবরোধ চলাকালে দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয়েছে। একই ভাবে ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সর্বমোট ৯৩ দিন তথাকথিত বিরোধী দল আন্দোলনের নামে ২০১৪ সালের শেষ ৩ মাসের মতো অনুরূপ নৈরাজ্য, ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে পেট্রল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে মেরে দেশের সামগ্রিক অর্থ, বিনোয়গ, শিল্পায়নসহ সর্বক্ষেত্রে একটা দুঃসহ সময় অতিক্রম কালেও দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশি ব্যাংকে পাচার হয়েছে। দেশের অর্থনীতিবিদরা এক বাক্যে এই পাচারের জন্য দেশে বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকাকে দায়ী করেন। তারা বলেন, কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় বিনিয়োগের যে হার রয়েছে, তার চেয়ে সঞ্চয়ের হার বেশি।

অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দেশে বিনিয়োগের তুলনায় সঞ্চয়ের হার ২-৩ শতাংশ বেশি। টাকা তো আর মানুষ বালিশের তলায় রাখে না। তাই পাচার করে।’ পাচার রোধে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি এনবিআরকেও তৎপর হওয়ার পরামর্শ দেন। এ জন্য অবশ্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আইনের শাসনকেও তিনি জরুরি মনে করেন। একই প্রতিবেদনের আরেক অংশে সাবেক তত্ত্ববাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলামকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, প্রত্যাশা অনুযায়ী বিনিয়োগ পরিবেশ না থাকাই অর্থ পাচারের বড় কারণ।

অথচ অর্থ পাচার রোধে সরকারের পদক্ষেপ বলতে তেমন কিছুই নেই। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন, অর্থ পাচার রোধে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেই। সরকার সত্যি সত্যিই অর্থ পাচার রোধ করতে চায় কিনা, সে ব্যাপারেও সন্দেহ রয়েছে। সন্দেহের কারণ ব্যাখ্যা করে দেবপ্রিয় বলেন, ‘অর্থ পাচার রোধ শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের একার চাওয়ার ব্যাপার নয়। বিষয়টি রাজনৈতিক।’ তার প্রশ্ন অর্থ পাচার কারা করে? শক্তিশালী লোকেরা। দেখার বিষয় যে সরকার তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে চায় কি না।

টাকা পাচারের নিরাপদ জায়গা হিসেবে সুইস ব্যাংকের পরিচিতি বিশ্বজোড়া। প্রতিবেদন অনুযায়ী সুইস ব্যাংকে ২০১৪ সালে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা রয়েছে ৫০ কোটি ৬০ লাখ সুইস ফ্রা, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা (১ ফ্রা ৯০ টাকা হিসাবে)। ২০১৩ সালের জমা ৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা থেকে তা ১ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা বেশি। নাগরিকত্ব গোপন রেখে যারা সুইস ব্যাংকে টাকা রেখেছেন, তাদের তথ্য অবশ্য প্রতিবেদনে আনা হয়নি। স্বর্ণালংকার, শিল্পকর্ম বা অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্রের আর্থিক মূল্যকেও রাখা হয়েছে হিসাবের বাইরে। সব বিবেচনায় নিলে পরিমাণ আরও বাড়বে।

সুইস ব্যাংক কখনোই আমানতকারীদের তথ্য প্রকাশ করে না, টাকার পরিমাণও জানতে দেয় না। ব্যাংক টাকা জমা রাখে একটি কোড নম্বরের ভিত্তিতে। বেশ কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিকভাবে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সুইজারল্যান্ড। তবে বিশ্বব্যাপী টাকা পাচার রোধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ব্যাপকভাবে কার্যকর হওয়ায় সুইস ব্যাংক গত বছর থেকে দেশওয়ারী অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ প্রতিবেদন।

গত বছর সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশিদের তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বিনিময়ের আগ্রহ দেখিয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করতে চিঠি দেয় সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ওই চিঠির কোনো জবাব দেয়নি তারা। হংকং-সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরও একই আগ্রহের কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও চিঠি দেয় সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। এরও জবাব পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই এ বিষয়ে সোচ্চার। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের মনোভাব হচ্ছে আইন সংশোধন ছাড়া তারা কিছু করতে পারবে না। সম্প্রতি বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে বেলজিয়ামের পক্ষ থেকে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দেয়া হয় বলে জানান মাহফুজুর রহমান।

এটা সত্য যে, অর্থ পাচার রোধে সরকারের নীতিতে মূলত ‘সঞ্চয় ও বিনিয়োগে ভারসাম্য নেই। আর কমদামি পণ্য বেশি দাম দেখিয়ে অর্থ পাচারের কথা তো সবারই জানা। বিনিয়োগ হচ্ছে না, অথচ মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ২০ শতাংশ।’ এর মানে কি সরকার জানে না? এমন প্রশ্নও অবান্তর বা একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক নয়।

এদিকে, এসএনবির সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৪ সালে বাংলাদেশিদের ৪ কোটি ১০ লাখ ফ্রা ছিল সুইস ব্যাংকে। এরপর ২০০৫ সালে ৯ কোটি ৭০ লাখ এবং ২০০৬ সালে ১২ কোটি ৪০ লাখ ফ্রা হয়। ২০০৭ সালে তা আগের বছরের দ্বিগুণ ছাড়িয়ে হয় ২৪ কোটি ৩০ লাখ। তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলে ২০০৮ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১০ কোটি ৭০ লাখ ফ্রাতে। অর্থনীতিবিদরা এ বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেন এভাবে, ‘দেশে যখন নির্বাচন আসে, তখনই অর্থ পাচার অনেক বেড়ে যায়। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা এ পাচারের বড় কারণ।’ ২০০৬-এর পর থেকে প্রতি বছর মিলিয়ে দেখলে অবশ্য তাদের এ বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী আগের বছর কমে এলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের সময় প্রথম বছর অর্থাৎ ২০০৯ সাল থেকে অর্থ পাচার আবার বাড়তে থাকে। ওই বছর ১৪ কোটি ৯০ লাখ, ২০১০ সালে ২৩ কোটি ৬০ লাখ, ২০১১ সালে ১৫ কোটি ২০ লাখ, ২০১২ সালে ২২ কোটি ৯০ লাখ এবং ২০১৩ সালে ৩৭ কোটি ২০ লাখ ফ্রা জমা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, সরকারি পদক্ষেপে কিছু না কিছু কাজ হয়ই। ২০০৮ সালে যে অর্থ পাচার কমেছিল, তা সরকারি পদক্ষেপেরই কারণে। অবশ্য অর্থনীতিবিদদের এ বক্তব্যের বিরোধিতা কওে সরকারি মহল বলছে, বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে সুইস ব্যাংকে টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। প্রবাসী বাংলাদেশিরা যদি সুইস ব্যাংকে টাকা রাখেন, তাহলে এ ক্ষেত্রে সরকারের নাকি কিছু করার থাকে না।

আমরা সবাই কম-বেশি অবহিত যে, ‘যে দেশের সঙ্গে সুইস ব্যাংকের এমওইউ রয়েছে, সেসব দেশ সুইস ব্যাংক থেকে তথ্য আনতে পারে। সর্বোচ্চ পর্যায়ের দেন দরবারের মাধ্যমে আবার পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়েও আনা সম্ভব। কিন্তু এ ধরনের সুযোগটি সম্প্রতি কাজে লাগিয়েছে ভারত। যে কারণে ২০১৩ সালের তুলনায় ২০১৪ সালে সুইস ব্যাংকে ভারতের টাকা পাচার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমেছে। এসএনবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুইস ব্যাংকের সবচেয়ে বেশি অর্থ চীনা নাগরিকদের ৮১০ কোটি ফ্রা। এরপর মালয়েশিয়ার ৩৩৬ কোটি, থাইল্যান্ডের ৩০৫, দক্ষিণ কোরিয়ার ২৭৬, ভারতের ১৭৭, পাকিস্তানের ১২৩, বাংলাদেশের ৫০ কোটি ৬০ লাখ, নেপালের ১০ কোটি ২০ লাখ, শ্রীলঙ্কার ৮ কোটি ২০ লাখ, মায়ানমারের ৬ কোটি, মালদ্বীপের ১ কোটি ৭০ লাখ এবং আফগানিস্তানের ১ কোটি ৪০ লাখ ফ্রা জমা আছে।

পাচার রোধে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে সরকারের সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানো দরকার। পাশিপাশি সুইস ব্যাংকের সঙ্গে এমওইউ করতে না পারার অর্থই হচ্ছে এ ব্যাপারে সরকারের দক্ষতা ও সক্ষমতার অভাব রয়েছে। এটা বাড়াতে হবে। অর্থ পাচার রোধে বিদ্যমান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের দ্রুত কার্যকারিতা বাস্তবায়ন অপরিহার্য। একই সঙ্গে বিনোয়েগের ক্ষেত্রে বিরাজমান প্রবিন্ধকতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করা জরুরি। একই সঙ্গে বিনোয়েগর জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো, গ্যাস, বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবেই একদিকে বিদেশে টাকা পাচার কমে আসবে। অন্যদিকে বাড়বে দেশে বিনিয়োগ, বাড়বে কর্মসংস্থানের সুয়োগ। এ কাজগুলো নিয়ে আশা করি চিন্তাভাবনা করবেন প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মহল।

[লেখক : সাংবাদিক]
Comments

Check Also

National Budget FY2017-18 Post-Approval Observations 01

Time to be vigilant, not to be complacent

There is hardly any room for us to be complacent, rather we need to be vigilant with every component of the fiscal framework. However, careful steps need to be taken while implementing the budget as the changed financial structure will have to depend more on domestic resources.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *