Latest
Home / CPD in the Media / Dr Khondaker Golam Moazzem on devaluation of BDT

Dr Khondaker Golam Moazzem on devaluation of BDT

Published in আমাদের সময় on Saturay, 02 January 2016

টাকার মান কমেছে ৩.৭৫ শতাংশ

২০১৫ সালের শুরুতে ১০০ টাকা আর বছর শেষের ১০০ টাকার মান এক নয়। গত এক বছরে দেশে মূল্যস্ফীতির কারণে ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে ১০০ টাকার মান কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ এবং ডলারের বিপরীতে কমেছে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ হিসাবে ১০০ টাকার মান এক বছরে কমেছে প্রায় ১০ টাকা। এর ফলে কমবেশি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২০১৫ সালের প্রথম মাসে এক ডলার বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৮০ টাকায়। বছরের শেষ দিনে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৮৩ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ডলারের দাম বেড়েছে ৩ টাকা। হিসাব অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে ডলারের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ ওই হারে টাকার মান কমেছে। ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমায় দেশের আমদানি ব্যয় বেড়েছে। ফলে আমদানি পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা ডলারের কারণে টাকার মান কমায় কিছুটা উপকৃত হলেও মূল্যস্ফীতির কারণে ক্রয়ক্ষমতা কমায় তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

২০১৪ সালের নভেম্বরের তুলনায় বিদায়ী বছরের নভেম্বর পর্যন্ত এক বছরের গড় হিসাবে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। অর্থাৎ ওই সময়ে ১০০ টাকা থেকে ৬ টাকা ২০ পয়সা ক্ষয় হয়ে গেছে। এই কারণে সব ভোক্তাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, মূল্যস্ফীতির বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন দুটি দুই জিনিস। কিন্তু দুটিতেই টাকার মান কমেছে। এর ফলে কমবেশি সবাই ওই হারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সূত্র জানায়, আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম এখনো কিছুটা কম আছে। বর্তমানে ৭৮ টাকা ৫২ পয়সা দরে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে।

Comments

Check Also

%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6

দেশের বাইরে অর্থ পাচারের বিষয়টি বাস্তবায়ন হয় মিস ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে: খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম

দেশের বাইরে অর্থ পাচারের বিষয়টি বাস্তবায়ন হয় মিস ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে। ডলার শক্তিশালী হওয়ায় ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে আমদানিকারকদের মধ্যে এ প্রবণতা বাড়তে পারে। এটা বেশি দেখা যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিকারকদের মধ্যে। তবে রফতানিমুখী শিল্পেও অনেক পণ্য আমদানি হয়। অর্থ স্থানান্তর করেন যার যার সুবিধা অনুযায়ী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *