Latest
Home / CPD in the Media / Strengthening institutional capacity key to implement bigger budget: Mustafizur Rahman

Strengthening institutional capacity key to implement bigger budget: Mustafizur Rahman

Published in মানবকন্ঠ on Sunday, 15 May 2016

আসন্ন বাজেটের প্রত্যাশা নিয়ে কথামালা

শাহনেওয়াজ

budget-2017

গত ১৩ মে শুক্রবার বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মতিঝিলের মেট্রোপলিটন চেম্বারে আড়াইঘণ্টা সময় ধরে আসন্ন বাজেটের প্রত্যাশা নিয়ে কথা বললেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা। এমনকি, ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ, স্বাস্থ্যবিদরাও এ ক্ষেত্রে বাদ পড়েননি। এই কথামালার আয়োজনে ছিল মেট্রোপলিটন চেম্বার ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া মাছরাঙ্গা। কথামালার মধ্যমণি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মধ্যমণিকে ঘিরে ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। আর সঙ্গ দিয়েছেন মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। সাবলীলভাবে যিনি পুরো কথামালাকে বিনিসুতোয় সাজিয়েছেন তিনি হলেন নিহাদ কবীর। তবে এই কথামালার আয়োজনে নেপথ্যে যারা কাজ করেছেন তারা মাছরাঙ্গার বিশিষ্ট সাংবাদিক মেরাজ ও তৌহিদ।

পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল গোছানো। যে কারণে চারটি ভাগে ভিন্নতা নিয়েও অনেকে কয়েকবার কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। তবে অনুষ্ঠানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল বিষয়ভিত্তিক প্রামাণ্য প্রতিবেদন। প্রথম প্রতিবেদনে অবকাঠামোর বাজেট বরাদ্দ, সময়সীমা ও বাস্তবায়ন নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এরপরই সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমানের কাছে প্রশ্ন তুলে দেয়া হয়। তবে অনুষ্ঠানের মধ্যমণি অর্থমন্ত্রীকে দফায় দফায় কথা বলতে হয় উপস্থাপিকা নিহাদ কবিরের ঘোষণা অনুযায়ী। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য এসেছে। সে সব বিষয় নিয়ে সরকার ভাবছে। তিনি বলেন, রাজস্ব সংগ্রহ বেড়েছে। কেউ কেউ বলছেন, লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তবায়নের মধ্যে ফারাক বেশি। এডিপি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী নিজেও মনে করেন, সেখানে আরো ভালো হওয়া উচিত। তিনি স্বীকার করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে। সুশাসন তার সমাধান করবে। অনেক ক্ষেত্রে আত্মসন্তুষ্টির ভাব এসে গেছে। স্বস্তিবোধটা মোটেই ভালো না। তিনি বলেন, ঢাকার ব্যাপারে দুই মেয়র খুবই উৎসাহী। তারা উদ্যোগ নিচ্ছে। বিকেন্দ্রীকরণের ক্ষেত্রে খুব বেশি সামনে এগোতে পারেননি তা অকপটে মেনে নিলেন। তবে প্রচেষ্টা থাকবে বিকেন্দ্রীকরণকে কিভাবে দৃশ্যমান করা যায়। জ্বালানি নীতি প্রসঙ্গে অর্র্থমন্ত্রী বলেন, একটা নীতি আছে কিন্তু সেটা সেই পর্যায়ে রয়ে গেছে। বিপিসিকে যে ভর্তুকি দেয়া হতো সেটা হিসাবে আসেনি। এটা এসেছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে। গ্যাস অনিশ্চয়তা এখন আর নেই। দু’বছর পর কানেকশন পাবে। শিক্ষার মান ও প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে একটি স্কুলের দৃশ্য দেখে মন্ত্রী তার বিগত দিনের ভালুকা সফরের স্মৃতিচারণ করলেন। আর সে কথা বলতে গিয়ে মুখে হাসি ফুটিয়ে তুললেন। তবে তিনি মনে করেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এখন বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে। এটা বরাদ্দ দিয়ে বিচার করলে এটা দেখা যাবে না। শিক্ষার অবকাঠামো অনেক উন্নত হয়েছে। আর কমিউনিটি ক্লিনিক এখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভ্যাট আইন নিয়ে সমালোচনা করছেন। কিন্তু এটি একটি উত্তম পন্থা। দু’বছরের আগে এলএনজি আমদানি করা কঠিন। এর জন্য পোর্টের ব্যবস্থা করতে হবে। করভারসেন করতে হবে। তাই দু’বছরের আগে কোনো সমাধান দেখছি না। গ্যাসের যে বর্তমান অবস্থা তাতে আরো সময় ব্যবহার করা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পাইপলাইন  ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে। তবে আমি চাই এ ব্যাপারে আলোচনা অব্যাহত থাকুক। ক্যাপটিভ পাওয়ার ২০১৮ সালের পর এটা পরিষ্কার হবে। তাই এখন থেকে আমাদের পরিকল্পনা নেয়া দরকার। আগামী বাজেটে মানব সম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষতার বিষয়ে জোর দেয়া হবে।

ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে বাজেটের আকার ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা রয়ে যাচ্ছে। যে হারে বাজেট বাড়ছে, সে হারে জনবল বাড়েনি। বিনিয়োগের জন্য যে শক্তিশালী কাঠামো দরকার তা এখনো অনুপস্থিত। সম্পদ আহরণ বাড়াতে হবে। আয়করের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। ৪০ লাখ লোক যেখানে হোল্ডিং ট্যাক্স দেয় সেখানে আয়কর দেয় মাত্র ১২ লাখ। বাজেটে সম্পদ পুনর্বণ্টন করতে হবে। সুশাসনের মাধ্যমে ভালোভাবে দেখভাল করতে হবে। বাজেটে প্রণোদনা থাকা উচিত। বিশেষ করে রফতানি বৈচিত্র্যকরণেও নতুন নতুন বাজারের অনুসন্ধানের জন্য আমরা অনেক বাজার ধরতে পারছি না। আমাদের এফডিআই আনতে হবে। এআইটির মাধ্যমে টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে। তেলের দাম সেচের ওপর আরো একটু গণতান্ত্রিক করা উচিত ছিল। উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে খরচ কমাতে হলে কৃষকদের কিভাবে বাজেটে সহায়তা দেয়া যায় সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মাতলুব আহমাদ বলেন, এডিপি বাস্তবায়নের দিকে নজর বাড়ানো প্রয়োজন। আমরা ভ্যাট আইন সংশোধন চাই। কিন্তু ভ্যাট দিতে গিয়ে যেন ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার না হয়। আগামীতে আরো রাজস্ব দিতে চাই। ভ্যাট আইনের সংশোধনের ক্ষেত্রে যৌথভাবে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার প্রতিফলন দেখতে চাই।

সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বলেন, কষ্ট অব ডুয়িং বিজনেস বেড়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের কনটেইনার ফ্রেইটের চার্জ চীন থেকে চার থেকে পাঁচগুণ বেশি। ব্যাংকের সুদের হার আরো নামানো উচিত। এয়ারপোর্টের কার্গো হ্যান্ডিলিং করতে দুই-তিন সপ্তাহ লেগে যায়। ব্যবসার বানিজ্যের ব্যয় যদি কমাতে না পারি তাহলে রপ্তানি বাড়বে না।সাবেক উপদেষ্টা মির্জ্জআজিজুল ইসলাম বলেন,বাজেটে অভিলাষ ও সক্ষমতা দুটোর মধ্যে সমন্বয় থাকা দরকার। রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের মধ্যে গ্যাপ ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। তবে বাজেটে যা প্রয়োজন তা হলো, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, সরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়লেও,  বেসরকারিখাতে বিনিয়োগ বাড়ছেনা। বেসরকারিখাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এতে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এর পাশাপাশি জটিলতা বেড়ে যাচ্ছে। ব্যবসা সহজ করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুন বিনিয়োগকারীরা প্রবৃদ্ধির দূত হিসেবে অভিহিত করেন।

অর্থনীতিবিদ ড. বিনায়ক সেন বলেন, অর্থনীতি চালিকাশক্তিতে মধ্যবিত্তদের ভূমিকা থাকতে হবে। নি¤œআয়ের দেশ থেকে নি¤œ মধ্যআয়ের দেশে যাচ্ছি আমরা কিন্তু ঢাকা শহরে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট নেই। বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়টি এখনো উপেক্ষিত।

ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ চলমান বৈশ্বিক মন্দা থেকে সুবিধা পেয়েছে। বড় বাজেটের অনেক বড় বড় অবকাঠামো এখন প্রয়োজন। তবে সময়সূচির অনিশ্চয়তা রয়েছে।

ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, সরকার লাগাতার লোকসান দিচ্ছে। বেসরকারি ব্যাংকেও দুর্নীতি হচ্ছে। সরকারের উচিত মাত্র একটি ব্যাংক হাতে রেখে বাকি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো মূলধন বাজারে ছেড়ে দেয়া। কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে যাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগ তাদের দিকে নজর দেয়া উচিত। যারা ট্যাক্স দিচ্ছে, তাদের ওপরই বেশি ট্যাক্স চাপানো হচ্ছে। কর আদায় করতে না পারলে বিনিয়োগ হবে না।

বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দেশে জ্বালানিনীতি নেই। শিল্প করার জন্য বছরের পর বছর  গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এর ফলে ঋণখেলাপি হয়ে যাচ্ছে অনেকে। এই বাজেটে জ্বালানিনীতি থাকা উচিত। একই সঙ্গে ডিজেলের দাম কমানো প্রয়োজন। ভূমিকম্পের মোকাবেলা ও অগিকাণ্ড মোকাবিলা করার জন্য এই সব যন্ত্রপাতি শুল্কমুক্ত ও ভ্যাটমুক্ত চাই।

এসিআই চেয়ারম্যান ও মেট্রোপলিটন চেম্বারের সাবেক প্রেসিডেন্ট আনিসউদ্দোলা বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তুকি দিচ্ছে। এই সব লোকসানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারিকরণ করা উচিত। দু’বছর পর গ্যাস পাওয়া যাবে। কিন্তু এখন কিভাবে ম্যানেজ করা যাবে সে ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এর চেয়ে যতদ্রুত সম্ভব এলএনজি আমদানি করা উচিত।

টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এতে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। ড. সাদেক আহমেদ বলেন, ট্রেড দিয়ে রাজস্ব বাড়ানো যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন ভ্যাট ও আয়কর। এটা এখন রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস। বিশিষ্টি ব্যাংকার আনিসা এ খান ব্যাংকের সুদের হার ও ব্যাংক একীভুত হওয়ার ব্যাপারে বেশকিছু পরামর্শ দেন।


 

Published in প্রথম আলো on Sunday, 15 May 2016

প্রাক্‌–বাজেট ২০১৬–১৭

রাষ্ট্র খাতের ব্যাংক বন্ধের প্রস্তাবটি ভালো: মুহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রমালিকানাধীন একটি ব্যাংক রেখে বাকিগুলো বন্ধের চিন্তা করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই) ও মাছরাঙা টেলিভিশনের যৌথ আয়োজনে ‘বাজেট ২০১৬-১৭, আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনায় গত শুক্রবার অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেছেন।

মেট্রো চেম্বারের কার্যালয়ে সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিহাদ কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তিন উপদেষ্টা, গবেষক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ অনুষ্ঠানে বলেন, রাষ্ট্রের হাতে সোনালী ব্যাংক বা একটি ব্যাংক রেখে অন্য ব্যাংকগুলো বন্ধ করা উচিত। অথবা বলে দেওয়া যেতে পারে, তারা আমানত সংগ্রহ করবে কিন্তু ঋণ দিতে পারবে না। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকি বন্ধেরও পরামর্শ দেন তিনি।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একটি ব্যাংক রেখে অন্যগুলো বন্ধের প্রস্তাবটি ভালো। এটা নিয়ে চিন্তা করা হবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, বেসরকারি ব্যাংকেও ভয়াবহ দুর্নীতি হচ্ছে, কিন্তু জানা যাচ্ছে না। তা ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের আমানতের সঙ্গে ঋণের সুদ হারের ব্যবধান ৬–৭ শতাংশ। আর রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকে ২ শতাংশ। এ কারণেও তারা লোকসান দিচ্ছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে বড় বাজেট দরকার। কিন্তু সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের হার নেপালের চেয়েও কম।’ এই হার বৃদ্ধির তাগিদ দিয়ে তিনি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকারকে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালনের পরামর্শ দেন।

অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদও বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমার তথ্য তুলে ধরে ভবিষ্যতে তা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, ‘বিনিয়োগ চাঙা হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আরেক উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বলেন, ‘বেসরকারি খাতে ব্যবসার পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। তাই বন্দরের খরচ ও ঋণের সুদ হার কমাতে হবে।’

দেশের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক নিরিখে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা সংস্থার (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক বিনায়ক সেন।

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বেশির ভাগ কথা বলেন নতুন মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইনের বাস্তবায়ন নিয়ে। তিনি বলেন, ‘নতুন আইনের সংশোধন করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করতে হবে যৌথ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।’

এমসিসিআইয়ের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর দেশে ৯০ হাজার দক্ষ বিদেশি কাজ করছেন এবং এতে ৪৫০ কোটি ডলার বিদেশে যাচ্ছে বলে তথ্য দেন। এই দক্ষ জনশক্তি দেশেই তৈরির প্রস্তাব দেন তিনি।

এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি সালাউদ্দিন কাশেম খানও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে জোর দিতে বলেন। তিনি অবশ্য এ জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দেন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতায় আমরা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে পিছিয়ে। এতে জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে।’

বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান দেশে একটি জ্বালানি নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়ে বলেন, শিল্প করার পরে গ্যাস সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমান কারখানাগুলোতেও বেশির ভাগ সময় গ্যাস–বিদ্যুৎ থাকে না।

অর্থমন্ত্রী সব বিষয়ে জবাব দেননি, আবার কিছু বিষয়ে প্রসঙ্গ না উঠলেও কথা বলেন। ঢাকার গণপরিবহন নিয়ে দুই মেয়র উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং তাঁদের সহযোগিতা করা হবে বলে জানান মুহিত। মূসকের বিষয়ে মুহিত বলেন, নতুন আইন অনুযায়ী অভিন্ন হারেই মূসক আরোপ করা হবে। এ ক্ষেত্রে খাতভিত্তিক কোনো আলাদা সুবিধা থাকবে না।

 

 

Comments

Check Also

mustafizur-rahman-interview

Mustafizur Rahman suggests signing FTAs with the countries those having trade deficit

"We have to try signing of FTAs with the countries with those have a trade deficit, we have to think about condition, export volume, percentage of rules of origin etc," said Prof. Mustafizur Rahman Executive Director of Center for Policy Dialogue (CPD).

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *