Published in The Financial Express on Sunday, 6 March 2016

Increasing exports to India a big ‘challenge’

Teesta agreement soon, says Gowher

FE Report

Foreign Affairs Adviser to the Prime Minister Dr Gowher Rizvi expressed his optimism about an early resolution of the much-talked-about Teesta water-sharing agreement with India. “The agreement is finalised and ready. It is now waiting for approval,” said the adviser while addressing a plenary session of the seventh round of dialogue on ‘Bangladesh-India Relations’ at a local hotel on Saturday. He hoped that the accord awaiting Indian approval would make some positive development soon. “The ball is now in Indian court and we are very confident that it would happen soon,” said the adviser terming the issue as the biggest concern for the country. He, however, said it will be unwise for him to tell a possible date on when it will be done and he does not want to specify the exact date. The adviser said the ‘agreement’ (agreed document on water-sharing) between the two countries is ‘in place’, and there is no ‘new agreement to be negotiated’. He also stressed the need for sub-regional cooperation to resolve the water-sharing problems as well as harnessing the Himalayan water resources as huge potential remains untapped in the region especially in Nepal and Bhutan. He said the water issue with India would not be solved bilaterally or nationally. “It will require sub-regional cooperation. Under Narendra Modi’s leadership, we have moved away from river-by-river to basin-wise management”. India-Bangladesh relations are currently billed as being ‘at their best’ though there are issues of the water sharing and border management sectors. Regarding two prime ministers’ promise to maintain a peaceful border, Mr Gowhar Rizvi said the border killings have been reduced drastically now than what it was during the BNP regime. “But we are absolutely not satisfied. One death is too many and that’s why two prime ministers promised a peaceful border” “We are striving for a peaceful border. We have introduced a new regime of combined border management,” he said. “The future of India and Bangladesh lies in the success of sub-regional cooperation,” he pointed out.

CPD Executive Director Professor Mustafizur Rahman, who attended the programme as a panel discussant, also identified five areas — investment, trade, transport, people-to-people connectivity and energy for taking forward the relations in broader ways. “These are extremely crucial,” he said laying emphasis on ‘forward-looking strategy’ and urging all to make the best use of each opportunity. These will open up many possibilities for Bangladesh. Mr Mustafiz also identified increasing export to India as a major challenge and stressed the need for more investment from India so as to bridge the trade gap which is now in favour of India. The two-way trade stood at US$6.6 billion in 2013-14 with India’s exports at 6.1 billion dollars and imports from Bangladesh at only 462 million dollars. “Bangladesh usually imports basic raw materials and intermediary goods for export-oriented industries which is essential,” said Mr Mustafiz adding that increasing import is not harmful, but the country needs to increase its efficiency to increase export to the neighbouring India. He said despite getting duty-free and quota-free access in Indian market, Bangladeshi exporters could not fully exploit the opportunity as they failed to prepare themselves for the Indian market. He urged Indian entrepreneurs to invest and set up their industries in two special economic zones for India which he said will help reduce the trade gap and increase the country’s overall export. He also stressed the need for harmonising the standard of certification and more trade facilitations at land ports as about 90 per cent of trade are conducted through land ports.

Terming signing of the BBIN agreement an important breakthrough in augmenting regional connectivity, speakers at the meeting also demanded easing of visa process. “The BBIN initiative will not be successful unless India eases the visa process,” said FBCCI president Matlub Ahmed, who attended the programme as a guest speaker. “India restricts entry to certain points and people have to face a lot of hassle if they want to travel to other areas,” said Mr Matlub. Delegates from India said that New Delhi seeks to expand both intra-regional and inter-regional trade, investment and people-to-people relations as it believes that progress and economic development in India’s neighbourhood are inter-linked. State minister for foreign affairs Shahriar Alam, who moderated the programme, said that relations between the two countries reached a better position than before and started delivering the results. “Some issues still remain to be resolved. We are hopeful that in the spirit of good neighbourliness, those would be resolved soon”. Earlier at another session on Security Cooperation, India’s ruling BJP spokesperson MJ Akbar said both India and Bangladesh must not ‘underestimate’ any problem in the relations between the two countries because of its ‘size’. According to the speakers, both the countries are now facing the global threat of radicalisation. They stressed the need for sincere and integrated efforts from both the sides to fight the menace. According to Mr Akbar, security only comes when there is confidence. “There is a problem of psychological insecurity between India and Bangladesh,” he added. “But new opportunities also come. Nowadays which once was unthinkable is becoming possible. It’s happening now,” he said, referring to the decades-old land boundary issue which was resolved within a year of Modi assuming office. Foreign Secretary Md Shahidul Haque, speaking at the session, said both the sides should think ‘out of the box’ on bilateral relations. He suggested bringing about ‘innovative and pioneering initiatives’ to the traditional approach to bilateral relations. He also proposed new areas of cooperation that both the countries can embark upon for enhancing their relations. Blue economy and cooperation in the Bay of Bengal, cooperation in renewable and nuclear energy and space and satellite sector are some of the areas he highlighted. The sessions were addressed among others by eminent economist Dr. Kholiquzzaman Ahmad, director of India Foundation Binod Bawri, Alok Bansal, Major General (retired) Abdur Rashid, Prof. Syed Manzoorul Islam and Prof. Delwar Hossain, Indian journalist Swapan Dasgupta and Ms. Sripriya Ranganathan.



Published in ভোরের কাগজ on Sunday, 6 March 2016

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপে গওহর রিজভী : তিস্তা চুক্তির বল এখন ভারতের কোর্টে

কাগজ প্রতিবেদক : তিস্তা চুক্তি সই নিয়ে খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ সরকার। তাই এ বিষয়ে নতুন করে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয় বাংলাদেশ। তিস্তা চুক্তির বল এখন ভারতের কোর্টে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে গওহর রিজভী বলেন, চুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে এবং ওই খসড়ার ভিত্তিতেই দ্রুত চুক্তি সই হবে বলে আমরা আশা করছি।

গত শুক্রবার শুরু হওয়া দুদিনের এই মৈত্রী সংলাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, দিল্লি। সেমিনার আয়োজনে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। সেমিনারে দুই দেশের রাজনীতিবিদ, কর্মকর্তা ও গবেষকরা অংশ নেন।

গওহর রিজভী সীমান্ত হত্যার ব্যাপারেও তার উদ্বেগের কথা জানান। তিনি বলেন, বিএনপি আমলের তুলনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্ত হত্যা কমেছে। কিন্তু তাতে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই। কারণ, আমাদের কাছে একটি হত্যা মানেও অনেক কিছু।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে ব্যাপকভাবে এগিয়ে নিতে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, পরিবহন ও জনগণের মেলবন্ধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যৎমুখী কর্মকৌশলের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা উচিত। তিনি বলেন, ভারতীয় ঋণ চুক্তির আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বেছে নেয়া উচিত। ঢাকায় ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি নৌ, সড়ক, রেল ও আকাশপথে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। আর্থিকভাবে দুই দেশের মধ্যে যে রকম সংযোগ থাকা দরকার সেটি নেই বলেও মনে করেন তিনি। তাই দুই দেশের মধ্যে আর্থিক প্রক্রিয়ায় সমন্বয় বা সংযোগ গড়ে তোলা অপরিহার্য বলে মত দেন সিক্রি। তিনি বলেন, একটি দেশের আপত্তিতে গত সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে মোটরযান চুক্তি হয়নি। তাই বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল চারদেশীয় মোটরযান চুক্তি সই করেছে। এটি চার দেশের সঙ্গে এ অঞ্চলের বাইরে বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবে। সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার মনে করেন, দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে উপআঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, এক সময় পাঁচ বছরের জন্য সার্ক ভিসা দেয়া হতো। ভারত তা কমিয়ে এখন তিন মাস করেছে। এই তিন মাসের জন্য ভিসা নেয়াটা পাসপোর্টের পাতা নষ্ট করা ছাড়া আর কিছু দেখি না। আমার মতে, বিবিআইএন ভিসা চালু করা উচিত। তবেই বিবিআইএনের সুফল পাওয়া যাবে।



Published in দৈনিক ইনকিলাব on Sunday, 6 March 2016

বাংলাদেশ-ভারত সংলাপ ৭ম পর্বের শেষ দিন সম্পর্কের ‘সেরা’ সময় এখন : বিজেপি মুখপাত্র

কূটনৈতিক সংবাদদাতা :

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বলেছেন, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী নই আমরা। সেই সাথে সীমান্তে একটি হত্যাও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরো বলেন, এক সময় ভারতবিরোধী রাজনীতি বাংলাদেশে নির্বাচনী ইস্যু ছিল। গত বেশ কিছু নির্বাচনে ভোটররা এ বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিএনপিও ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বাস্তবতা মেনে নিয়েছে। ট্রানজিট, কানেকটিভিটি এখন আর ঘরোয়া সমস্যা নয়। বিষয়টি নিয়ে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র এম জে আকবর বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। পানি বণ্টন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সমস্যা থাকলেও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বর্তমান সময়কেই ‘সেবা’ হিসেবে ধরা হয়। তাই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে ছোটখাটো সমস্যা থাকলেও তাকে ‘গুরুত্ব’ দিয়ে দেখতে হবে। গতকাল শনিবার ঢাকায় দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে আয়োজিত দু’দিনব্যাপী সংলাপের দ্বিতীয় দিনের পৃথক অধিবেশনে এ সব কথা বলেন গওহর রিজভী এবং এম জে আকবর। প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের’ উদ্যোগে সপ্তমবারের মতো এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। দু’দিনব্যাপী সংলাপের শেষ দিনে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে প্যানেল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন রাজনীতিতে আসার আগে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র ও প্রবীণ সাংবাদিক এম জে আকবর। বিজেপির সাধারণ সম্পাদকসহ দু’দেশের রাজনীতিক, গবেষক, চিন্তাবিদ, সাবেক কূটনীতিক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা সংলাপে অংশ নেন। এম জে আকবর তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে ছোটখাটো সমস্যা থাকলেও তাকে ‘গুরুত্ব’ দিয়ে দেখতে দু’দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ ইঁদুরের তৈরি মাটির ঢিবি থেকে পাহাড় তৈরি হতে পারে। কোনো কিছুরই একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠার সম্ভাবনা থাকে। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। পানি বণ্টন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সমস্যা থাকলেও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বর্তমান সময়কেই ‘সর্বোত্তম’ হিসেবে ধরা হয়। উগ্রবাদের বৈশ্বিক হুমকি দুই দেশ সমানভাবেই অনুভব করছে। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তাহীনতার সমস্যা রয়েছে। বিশ্বাস থাকলেই কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে। দু’দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা সমস্যা নরেন্দ্র মোদীর সরকার আসার পর সমাধান হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে এই বিজেপি নেতা বলেন, তবে নতুন সুযোগ আসছে। একসময় যা অচিন্ত্যনীয় ছিল তা এখন সম্ভব হচ্ছে। সীমান্ত চুক্তির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যেটা এখন মনে হবে অচিন্তনীয় সেটাই ভবিষ্যতে সম্ভব হবে। এখন এটাই ঘটছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও অগ্রগামী পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেন সাবেক এই সাংবাদিক। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক নতুন নতুন ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করতে হবে। সমুদ্র অর্থনীতি ও বঙ্গোপসাগরে সহযোগিতা, নবায়নযোগ্য ও পরমাণু জ্বালানি সহযোগিতা এবং কৃত্রিম উপগ্রহের কথা এক্ষেত্রে বলা যায়। সংলাপে পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই পক্ষকেই ‘কাঠামোর বাইরে’ এসে চিন্তা করতে হবে। সম্পর্কের গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে ‘উদ্ভাবনীমূলক ও পথনির্দেশক উদ্যোগ’ যোগ করতে হবে বলে মত দেন তিনি। শহিদুল হক বলেন, নতুন উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) রূপরেখার আওতায় বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করতে পারে। সংলাপে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান অববাহিকাভিত্তিক পানি ব্যবস্থাপনার উপর জোর দেন। তিনি বলেন, স্থলসীমান্ত সমস্যা সমাধানে দুই দেশ ৪০ বছর অপেক্ষা করেছে। কিন্তু পানি বণ্টন সমস্য সমাধানে আমরা আরও ৪০ বছর অপক্ষো করতে পারি না। পানির সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও অভিবাসন সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, পানির সঙ্কট আছে এমন এলাকা ছেড়ে মানুষ যেখানে পানি পর্যাপ্ত সেখানে পাড়ি জমাবে। ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক অলোক বানসাল বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোতে কেন তরুণরা যোগ দিচ্ছে সেই বিষয়টি আমাদের চিহ্নিত করা জরুরী। ইসলামী দেশগুলোর যাকাত ফান্ডের টাকা যেন এ ধরনের কোন সন্ত্রাসীদের হাতে না যায় সেই দিকটা খেয়াল রাখা খুব জরুরী। পানি বণ্টন ইস্যুর প্রতি ইঙ্গিত করে ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক স্বপন দাশ গুপ্ত বলেন, ভারত-বাংলা সম্পর্কে বড় সুযোগ এসেছে। আমাদেরকে তা আঁকড়ে ধরতে হবে। ইতিহাসে বড় সুযোগ ক্বদাচিৎ আসে। সংলাপে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক দেলোয়ার হোসাইন অংশ নেন। দিনের দ্বিতীয়ভাগে পৃথক অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী নই আমরা। গওহর রিজভী বলেন, তিস্তা চুক্তি সই নিয়ে বল এখন ভারতের কোর্টে। চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে, চুক্তিটি নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনা হবে না। ওই খসড়ার ভিত্তিতেই দ্রুত চুক্তি সই হবে। সীমান্ত হত্যার ব্যাপারেও উদ্বেগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি আমলের তুলনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্ত হত্যা কমেছে তবে তাতে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই কারণ, আমাদের কাছে একটি হত্যা মানেও অনেক কিছু। বিএনপি’র সরকারের সময়ে সীমান্তে তিন শতাধিক হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সেই তুলনায় আওয়ামী লীগের আমলে এমন হত্যাকা- কমেছে। গওহর রিজভী মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, এক সময় ভারতবিরোধী রাজনীতি বাংলাদেশে নির্বাচনী ইস্যু ছিল। গত বেশ কিছু নির্বাচনে ভোটররা এ বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিএনপিও ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বাস্তবতা মেনে নিয়েছে। ট্রানজিট, কানেকটিভিটি এখন আর ঘরোয়া সমস্যা নয়। বিষয়টি নিয়ে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গওহর রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই ভারতের সাথে এ সুসম্পর্ক তৈরীর জন্য ক্রেডিট পাবেন। তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এক বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। সংলাপের দ্বিতীয় দিনের এ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক শক্তি সিনহা। মূল প্রবন্ধের ওপর বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। ভারতের পক্ষ থেকে প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক বিনোদ বাউরি এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব শ্রিপ্রিয়া রঙ্গনাথান। বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের রেক্টর ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমদ, এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। সন্ধ্যায় সমাপনী পর্বে আলোচনায় অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিজেপি মুখপাত্র ও ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র এমজে আকবর, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট নাসিরুদ্দিন ইউসুফ এবং ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের রিসার্চ এসোসিয়েট গুরু প্রকাশ। সবশেষে ‘ঢাকা ঘোষণা’ গৃহীত হয়।





You can be the first one to leave a comment.

Leave a Comment