Published in প্রথম আলো on Monday, 29 May 2017

অন্য দেশের তুলনায় ১৫ শতাংশ হার বেশি। তবে যখন ভ্যাট আহরণ বাড়বে, তখন হার ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা যেতে পারে। এমন বিবেচনায় আমরা বলছি, কমিয়ে ১২ শতাংশও করা যেতে পারে। তবে আমি একক হারের পক্ষে।
আমরা সিপিডির পক্ষ থেকে বলেছি, নতুন আইনটি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত করে যেন পণ্য ও সেবার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের সময় যেন ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে।
১৫ শতাংশ ভ্যাট হার নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের হাতে বিকল্পও ছিল না। যদি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারগুলো করা হতো, তাহলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। এ জন্য আমরা টাকা পাচার রোধ করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা সংস্কারের কথা বলে আসছি।
নতুন আইনটি কার্যকর করা হলে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে। বাজারও এর সুযোগ নিতে পারে। আবার প্রকৃত কারণেও দাম বাড়তে পারে। আবার এই আইনের আওতায় ব্যবসায়ীরা যে রেয়াত পাওয়ার কথা, তা না-ও পেতে পারেন। রেয়াত যাতে নিতে পারেন, সে জন্য দ্রুততর সময়ে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
লেখক: বিশেষ ফেলো. সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)


