রেমিট্যান্সে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অভিঘাত ও উত্তরণের পথ – ড. ফাহমিদা খাতুন

Originally posted in জাতীয় অর্থনীতি on 18 October 2026

ড. ফাহমিদা খাতুন, তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো। তিনি ২০১৭ থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। সামষ্টিক অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি, জ্বালানি, আর্থিক খাত, বাণিজ্য এবং উন্নয়ননীতি নিয়ে তার দীর্ঘদিনের গবেষণা ও বিশ্লেষণ রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক সংকট, নীতি প্রণয়ন ও সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্ন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে তিনি নিয়মিতভাবে গবেষণা ও মতামত দিয়ে আসছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সানজিদুল ইসলাম

জাতীয় অর্থনীতি: সৌদি আরবে হুতিদের হামলা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে কতটা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে? এর প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কতটা?

ড. ফাহমিদা খাতুন: সৌদি আরবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে হামলা বা উত্তেজনার খবর এলেই সঙ্গে সঙ্গে রেমিট্যান্স কমে যাবে— এমন নয়। প্রভাব নির্ভর করবে কর্মীদের চাকরি, আয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা, বিমান চলাচল এবং ব্যাংকিংসেবা কতটা ব্যাহত হচ্ছে তার ওপর। সাম্প্রতিক সংঘাতে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বিমান চলাচলে বিঘ্নের খবর এসেছে। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে কর্মীদের আয় ও দেশে টাকা পাঠানোর সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তাৎক্ষণিক ঝুঁকি মূলত কর্মীদের নিরাপত্তা, চলাচল এবং মানসিক উদ্বেগের ক্ষেত্রে। কোনো কর্মীর চাকরি বন্ধ হলে বা বেতন পেতে দেরি হলে পরিবারের কাছে পাঠানো অর্থ কমতে পারে। তবে কাজ ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে কেবল অনিশ্চয়তার কারণে রেমিট্যান্সে বড় পরিবর্তন নাও দেখা যেতে পারে। তাই আতঙ্ক না ছড়িয়ে পরিস্থিতির নিয়মিত খোঁজ রাখা এবং কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা জরুরি।

জাতীয় অর্থনীতি: বর্তমানে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের সামগ্রিক পরিস্থিতি কেমন? রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে প্রকৃত আয় বৃদ্ধি, বিনিময় হার নাকি বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা- কোনটি বেশি ভূমিকা রাখছে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য থেকে বোঝা যায়, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ সাম্প্রতিক সময়ে শক্তিশালী ছিল এবং এর ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তবে এই বৃদ্ধিকে শুধু প্রবাসীদের আয় বৃদ্ধির ফল বলা যাবে না। রেমিট্যান্সের পরিমাণ নির্ভর করে বিদেশে কর্মরত মানুষের সংখ্যা, তাদের আয় ও চাকরির স্থায়িত্ব, বিনিময় হার, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর খরচ এবং ব্যাংকিংসেবার সহজ লভ্যতার ওপর।

বৈধ ও অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের বিনিময় হারের ব্যবধান কমলে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানো বেশি আকর্ষণীয় হয়। সরকারি প্রণোদনাও এতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে হুন্ডির বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়লে বৈধ চ্যানেলে অর্থ আসতে পারে। কিন্তু এসব পরিবর্তনকে প্রকৃত আয় বৃদ্ধির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। কোন কারণ কতটা ভূমিকা রাখছে তা বুঝতে বিদেশে কর্মসংস্থান, মজুরি এবং উৎসদেশভিত্তিক রেমিট্যান্সের তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা দরকার।

জাতীয় অর্থনীতি: বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ডলারের বিনিময় হার ও আমদানি সক্ষমতা রক্ষায় রেমিট্যান্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এই প্রবাহ কমে গেলে অর্থনীতি কতটা চাপে পড়বে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: রেমিট্যান্স দেশে ডলার সরবরাহ বাড়ায়। এতে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখা এবং বিনিময় হারের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা হয়। প্রবাসী পরিবারের জন্যও এই অর্থ খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন খরচের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তাই প্রবাহ কমে গেলে শুধু সামষ্টিক অর্থনীতি নয়, বহু পরিবারের জীবনযাত্রাও চাপে পড়তে পারে।

রেমিট্যান্স হঠাৎ কমলে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য দুর্বল হতে পারে। আমদানি ব্যয় মেটানো কঠিন হলে জ্বালানি, খাদ্য ও উৎপাদনের উপকরণ আনার ওপর চাপ পড়তে পারে। ফলে বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তবে প্রভাব কতটা হবে তা নির্ভর করবে রপ্তানি আয়, বৈদেশিক ঋণ, আমদানি ব্যবস্থাপনা এবং অর্থনৈতিক নীতির ওপরও। রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অর্থনীতির সব সমস্যার একক সমাধান নয়।

জাতীয় অর্থনীতি: বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত ও সামগ্রিক অর্থনীতি রেমিট্যান্সের ওপর কি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে? এই নির্ভরশীলতার দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি কী?

ড. ফাহমিদা খাতুন: প্রবাসী আয় বাংলাদেশের জন্য বড় সহায়তা হলেও একে স্থায়ী ও নিশ্চিত উৎস ধরে নেওয়া উচিত নয়। গন্তব্য দেশের অর্থনীতি, শ্রমবাজারের চাহিদা, অভিবাসন নীতি এবং আঞ্চলিক সংঘাত— সবই কর্মীদের আয়কে প্রভাবিত করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বা জ্বালানি ও পরিবহন ব্যাহত হলে কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনও সতর্ক করেছে।

অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশীয় উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান, রপ্তানি বৈচিত্র্য এবং দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজনকে আড়াল করতে পারে। রেমিট্যান্সের অর্থ যেন শুধু ভোগে ব্যয় না হয়ে সঞ্চয়, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগেও কাজে লাগে, সে জন্য সহজ ও নিরাপদ আর্থিক সেবা দরকার। একইসঙ্গে বিদেশে কর্মরত মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে।

জাতীয় অর্থনীতি: সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেলে মূল্যস্ফীতি, আমদানি ব্যয়, কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীদের পরিবারের জীবনযাত্রায় কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: সৌদি আরব বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। সেখান থেকে অর্থ পাঠানো কমলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে দৈনন্দিন ব্যয়ের জন্য কম অর্থ থাকতে পারে। এতে খাবার, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং ঋণের কিস্তি মেটানো কঠিন হতে পারে। শ্রমিকদের চাকরি হারানো বা বেতন কমে যাওয়া দেশে ফেরার চাপও তৈরি করতে পারে।

দেশের অর্থনীতিতে ডলারের সরবরাহ কমলে বিনিময় হার ও আমদানি ব্যয়ে চাপ বাড়তে পারে। আমদানির খরচ বাড়লে তার প্রভাব পণ্যের দামে পড়তে পারে। তবে মূল্যস্ফীতি বা কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব সরাসরি ও একই মাত্রায় দেখা দেবে— এ কথা নিশ্চিত করে বলা যায় না। পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক নীতি এবং অন্যান্য বৈদেশিক আয়ের প্রবাহও ফল নির্ধারণ করবে।

জাতীয় অর্থনীতি: মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের ওপর বাংলাদেশের শ্রমবাজারের নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প শ্রমবাজার তৈরি এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন?

ড. ফাহমিদা খাতুন: নতুন শ্রমবাজার খুঁজতে হলে শুধু দেশ চিহ্নিত করলেই হবে না; সেখানে কোন ধরনের কাজের চাহিদা আছে, বেতন ও কাজের শর্ত কেমন, নিয়োগব্যবস্থা কতটা নির্ভরযোগ্য— এসব যাচাই করতে হবে। দূতাবাস, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং বেসরকারি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে তথ্য বিনিময় করে কাজ করতে হবে। শ্রমিক পাঠানোর আগে চাকরির চুক্তি যাচাই এবং নিয়োগ ব্যয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেওয়া দরকার।

প্রশিক্ষণকে বিদেশের চাকরির বাস্তব চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে সাজানো জরুরি। ভাষা, কারিগরি দক্ষতা, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, পরিবহন, পরিচর্যা ও আতিথেয়তা খাতে মানসম্মত প্রশিক্ষণ কর্মীর সুযোগ বাড়াতে পারে। প্রশিক্ষণের মান এবং সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত না হলে দক্ষতার দাবি চাকরিতে সুবিধা দেবে না। কর্মীদের নিরাপত্তা, বেতন এবং অভিযোগ জানানোর পথও নিয়োগ-পরিকল্পনার অংশ হওয়া উচিত।

জাতীয় অর্থনীতি: রেমিট্যান্স বাড়াতে সরকার প্রণোদনা দিলেও হুন্ডি পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন? বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানো আরও সহজ ও আকর্ষণীয় করতে কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন?

ড. ফাহমিদা খাতুন: শুধু প্রণোদনা দিয়ে হুন্ডি বন্ধ করা কঠিন। মানুষ সাধারণত যে পথে দ্রুত, সহজে এবং তুলনামূলক ভালো বিনিময় হারে অর্থ পায় সেটিই বেছে নেয়। ব্যাংকের সেবা জটিল হলে, অর্থ পেতে দেরি হলে বা প্রেরক ও গ্রহীতাকে বেশি কাগজপত্র দিতে হলে অনানুষ্ঠানিক পথের প্রতি আগ্রহ থাকতে পারে।

বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর খরচ কমানো, বিনিময় হারকে বাজারের বাস্তবতার কাছাকাছি রাখা এবং দ্রুত অর্থ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। মোবাইল আর্থিক সেবা ও ব্যাংকের মধ্যে সংযোগ বাড়ালে গ্রাহকের সুবিধা হতে পারে। প্রবাসী এবং দেশে তাদের পরিবারের জন্য অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা থাকা দরকার। হুন্ডির ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থ পাচার ঠেকাতে নজরদারি হতে হবে স্বচ্ছ ও নিয়মভিত্তিক।

জাতীয় অর্থনীতি: যাদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেই প্রবাসীদেরই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয় কেন? এ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কী করা দরকার?

ড. ফাহমিদা খাতুন: আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের ভোগান্তি হলে তার কারণ খুঁজতে অভিযোগ গ্রহণ, সেবার মান পর্যবেক্ষণ এবং দায় নির্ধারণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। তথ্য, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ও অভিবাসন-সংক্রান্ত সহায়তা কোথায় পাওয়া যাবে তা সহজ ভাষায় জানানো দরকার। প্রবাসীদের জন্য সহায়তা ডেস্ক কার্যকর রাখতে হবে এবং অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়েছে কি না— তা নিয়মিত পর্যালোচনা করতে হবে।

জবাবদিহি মানে শুধু অভিযোগের পর ব্যবস্থা নেওয়া নয়; একই সমস্যা বারবার কেন ঘটছে সেটিও দেখা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর এবং সেবা প্রদানকারীদের দায়িত্ব স্পষ্ট থাকলে সমন্বয়ের ঘাটতি কমবে। কর্মীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ এবং তাদের সময়ের মূল্য বোঝা সেবার মানের অংশ।

জাতীয় অর্থনীতি: সৌদি আরবে নিরাপত্তা সংকটের কারণে কর্মীদের চাকরি, আয় ও দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হলে তাদের সুরক্ষায় সরকার, দূতাবাস ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কী ধরনের জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?

ড. ফাহমিদা খাতুন: সৌদি আরবে নিরাপত্তা বা চাকরির সংকট দেখা দিলে দূতাবাসের উচিত কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখা এবং জরুরি সহায়তার নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া। কর্মস্থল, নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের অবস্থা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ জরুরি। চাকরি বা বেতন নিয়ে সমস্যা হলে শ্রমিকদের অভিযোগ জানানোর পথ, আইনি সহায়তা এবং প্রয়োজন হলে নিরাপদে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে ফেরা কর্মীদের পুনর্বাসন ও নতুন কর্মসংস্থানের সহায়তাও বিবেচনায় রাখা দরকার।

সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হওয়া উচিত প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ ও সাশ্রয়ী করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে বিকল্প শ্রমবাজার, দক্ষ কর্মী তৈরি এবং কর্মীদের অধিকার রক্ষাকে একই পরিকল্পনার অংশ করতে হবে। এতে সম্ভাব্য ধাক্কা সামাল দেওয়া সহজ হবে এবং প্রবাসী আয়ের ওপর একক নির্ভরতা কমবে।

Get latest updates of CPD's research, policy discourse, publications, and events.