Originally posted in বাংলাদেশ প্রতিদিন on 20 September 2026
অর্থ পাচার রোধে ব্যাংক, কাস্টমস, কর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান বাড়ানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন নিয়মিত যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন।
তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অর্থ পাচার রোধে ব্যাংক, কাস্টমস, কর কর্তৃপক্ষ, বিএফআইইউ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান বাড়াতে হবে। আমদানি-রপ্তানিতে অতিমূল্যায়ন ও অবমূল্যায়ন, বেনামি সম্পদ এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।
বিনিয়োগ বাড়াতে দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে নীতির ধারাবাহিকতা, জ্বালানি সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও দক্ষ জনবল নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত ও স্বচ্ছ সরকারি সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ব্যবসা শুরু, কর পরিশোধ ও মুনাফা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও নিয়ন্ত্রক অনিশ্চয়তা কমানো জরুরি।
পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এই অর্থনীতিবিদ।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। অপরাধীর পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে দ্রুত তদন্ত, বিচার ও নিয়মমাফিক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি করব্যবস্থাকে ন্যায্য ও অনুমানযোগ্য করা প্রয়োজন।


