Originally posted in বাংলাদেশ প্রতিদিন on 30 October 2026
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আর্থিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন।
গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়ে বলেন, জাপানি বিনিয়োগ বাড়লে দেশের উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বাড়বে। তবে বিনিয়োগের সুফল পেতে কার্যকর পরিকল্পনা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন। ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জাপানি ব্যবসার বিনিয়োগ সর্বোচ্চ ১ ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এবং প্রায় ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা জানিয়েছেন। পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়াতে ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ইয়েন অনুদানের চুক্তি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি দ্রুত কার্যকর হলে বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানি খাতে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকের উচ্চমূল্যের পণ্য, চামড়া, পাট, কৃষি ও মৎস্যজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। ড. ফাহমিদা বলেন, জাপানি বিনিয়োগ এলে গাড়ির যন্ত্রাংশ, ইলেকট্রনিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান বাড়তে পারে। তবে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিকে বাস্তব অর্থনৈতিক সুফলে রূপ দিতে বিনিয়োগের খাত, সময়সীমা, অর্থায়নের শর্ত এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ স্পষ্ট করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, স্বচ্ছ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।


