Thursday, February 19, 2026
spot_img
Home CPD in the Media

আঞ্চলিক সংযোগের লাভ দৃশ্যমান হতে হবে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

Published in প্রথম আলো on Monday, 27 March 2017

আঞ্চলিক সংযোগের লাভ দৃশ্যমান হতে হবে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতায় যোগ দেওয়া ঠিক হবে কি না, বাংলাদেশে এ প্রশ্ন এখন আর নেই বলে মন্তব্য করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পরিবহন সংযুক্তি (কানেকটিভিটি) লাগবে। তা থেকে দৃশ্যমান লাভও দেখাতে হবে। দ্রুততার সঙ্গে লাভ দেখাতে না পারলে আবার পেছনে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের আঞ্চলিক সংযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন। আজ সোমবার সকালে নিজেদের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) এর আয়োজন করে। এতে বিমসটেক সচিবালয়ের পরিচালক নাজমুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন, সাবেক রাষ্ট্রদূত শাহেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে যদি একটি দেশ আন্তরিকভাবে আঞ্চলিক সহযোগিতায় বিশ্বাস করে, সেটি বাংলাদেশ। এ বিষয়ে বাংলাদেশে জাতীয় ঐকমত্য আছে। এখন বাংলাদেশ একদিকে সার্কে বিনিয়োগ করছে, একদিকে বিমসটেকে বিনিয়োগ করছে, আবার বিবিআইএনে বিনিয়োগ করবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত দিক দিয়ে একটি মাহেন্দ্রক্ষণে আছে। এ সম্ভাবনাকে বাংলাদেশ কীভাবে কাজে লাগাবে, কীভাবে এটিকে একটি যৌক্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে, সেটা এখন দেখার বিষয়।

বাংলাদেশকে এখন আর ছোট দেশ নয় উল্লেখ করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আজকের দুনিয়াতে বড়-ছোট শুধু জনসংখ্যা বা অর্থনৈতিক আয়তন দিয়ে হয় না। এটা ঠিক হয় অর্থনীতির ভিত্তি কতটা শক্তিশালী, ধাক্কা সহ্য করার ক্ষমতা কতটুকু, সামাজিক শক্তি কতটুকু, নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষমতা কতটুকু—এসব বিষয় বিবেচনায়। তিনি বলেন, ‘আমরা ছোট, এ মানসিকতা বদলাতে হবে। নইলে আমরা কখনো বড় হতে পারব না। আমার দেশের শক্তি আসবে অর্থনীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে, শিল্পায়নের মাধ্যমে, কৃষিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে, সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নতি করা ইত্যাদির মাধ্যমে এবং তার সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা, শান্তি, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করাও গুরুত্বপূর্ণ।’