Monday, March 16, 2026
spot_img
Home CPD in the Media

অধ্যাপক রেহমান সোবহান-এর সংবর্ধনা উপলক্ষে বণিক বার্তার বিশেষ প্রকাশনা

বণিক বার্তা ও বিআইডিএস-এর যৌথ আয়োজন “গুণীজন সংবর্ধনা ২০১৭” তে শিক্ষকতা, গবেষণা, নীতি পরামর্শ, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানকে সংবর্ধিত করা হচ্ছে।

অধ্যাপক রেহমান সোবহান-এর এই সংবর্ধনা উপলক্ষে বণিক বার্তার বিশেষ প্রকাশনা মার্চ ১৬, ২০১৭ তে


বিশেষ সংখ্যা/কৃতী মুখ

 

উদ্দীপনা সৃষ্টিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একজন রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ – কামাল হোসেন

বিষয়টি ছিল ফলপ্রসূভাবে কাকতালীয়। অধ্যাপক রেহমান সোবহানের অবদান নিয়ে একটি নিবন্ধ লেখার অনুরোধ পাই যে সপ্তাহে, সেই একই সপ্তাহে রেহমান


কিছু কথা, কিছু স্মৃতি – কাজী সাহাবউদ্দিন

অধ্যাপক রেহমান সোবহানের কাজ ও জীবন সম্পর্কে কিছু লিখতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। অধ্যাপক রেহমান সোবহান বাংলাদেশের স্বল্পসংখ্যক


গবেষক রেহমান সোবহান – এম আসাদুজ্জামান

অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা পঞ্চাশ বছরেরও আগে। সালটা ১৯৬৪, হাইকোর্টে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু মাহমুদের মামলা চলছে


একজন নিরলস সমাজ চিন্তাবিদ – সালেহউদ্দিন আহমেদ

অবাক হয়ে যাই, সেই প্রায় ৫০ বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হিসেবে তখন তাঁকে দেখেছি ক্লান্তিহীন লিখে যাচ্ছেন অর্থনীতি, সমাজ


একটি উপলব্ধি – কেএএস মুরশিদ

আমি অধ্যাপক রেহমান সোবহানকে জানি প্রথমে প্রতিবেশী হিসেবে, এর পর আমার বাবার বন্ধু হিসেবে এবং পর্যায়ক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শিক্ষক


উজ্জ্বল নক্ষত্র – এম সাইদুজ্জামান

১৯৫৭ সালে আমি রেহমান সোবহান সম্পর্কে জানতে পাই কেমব্রিজে (সেন্ট জন্স কলেজ)। তিনি এর কিছুদিন আগেই সেখান থেকে চলে আসেন।


সশ্রদ্ধ কিছু কথা – মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম

অধ্যাপক রেহমান সোবহানের বিষয়ে কিছু লিখতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। তিনি বাংলাদেশে একজন অসাধারণ অর্থনীতিবিদ হিসেবে সুপরিচিত। উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন



পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল – হোসেন জিল্লুর রহমান

বাংলাদেশে জনগণের স্বার্থে কাজ করা বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। এমন বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে গত অর্ধশতাব্দী ধরে অধ্যাপক রেহমান সোবহান একটি


বিশাল ব্যক্তিত্ব বিপুল কর্মযজ্ঞ – ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

অধ্যাপক রেহমান সোবহান সম্পর্কে নতুন কিছু বলার সুযোগ কম। সেজন্য তাঁকে সম্মাননা জানানোর উপলক্ষে বরং আমার নিজের স্মৃতিচারণ করার কিছুটা


প্রথাবিরোধী এক অর্থনীতিবিদ – দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইতিহাসবোধ থেকে কেউ যদি অধ্যাপক রেহমান সোবহানের জীবনব্যাপী গবেষণাকর্মের পর্যালোচনা করেন, তাহলে তিনি এক অন্তর্দর্শনের জালে বন্দি হবেন। একটি সম্যক


আমার শিক্ষক অধ্যাপক রেহমান সোবহান – রিজওয়ানুল ইসলাম

সময়টা ছিল ষাটের দশকের শেষের দিকে, নির্দিষ্টভাবে বললে ১৯৬৯ সাল; যখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।


ব্যতিক্রমী এক শিক্ষক – মোস্তাফিজুর রহমান

তাঁর মেধা ও মনন অসাধারণ, লিখনীর ব্যাপ্তি ব্যাপক, পথচলা বহুধাবিস্তৃত। তাই তাঁর পরিচয়ও বহুমাত্রিক। তিনি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও


তরুণ গবেষকদের জন্য মমতা – রুশিদান ইসলাম রহমান

অধ্যাপক রেহমান সোবহান বিআইডিএসের চেয়ারম্যান/মহাপরিচালক ছিলেন দীর্ঘদিন। তিনি অনেক প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকতা করেছেন, গবেষণা করেছেন বা সেখানে কর্ণধার হয়েছেন— সর্বত্রই তিনি


অর্থনীতিবিদ – ফাহাদ খালিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে বৈদেশিক সাহায্য, পাবলিক এন্টারপ্রাইজ ও বিরাষ্ট্রীয়করণ প্রভৃতি কারেন্ট ইস্যু জানার জন্য আমাদের সোর্স ছিল অধ্যাপক রেহমান


 আমার দেখা রেহমান সোবহান – রওনক জাহান

অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা ১৯৭০ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের রচেস্টার শহরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে, যার বিষয়বস্তু ছিল পাকিস্তানের


ইতিহাস তার সাক্ষী – সিদ্দিকুর রহমান ওসমানী

বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনের দিকপাল পণ্ডিত প্রয়াত অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক একটি অনন্য সম্মানের অধিকারী ছিলেন, তিনি ছিলেন সার্বজনীন ‘স্যার’। তাঁর নিজের ছাত্র


পেশাজীবনের প্রথম বস – নাজনীন আহমেদ

১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়ে ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলাম। খবর পেলাম, সদ্য প্রতিষ্ঠিত থিংক ট্যাংক


যে দীপ নিরন্তর আলো ছড়াচ্ছে – সা’দত হুসাইন

রেহমান সোবহান আমাদের শ্রেণীভুক্ত ব্যক্তি নন। আমি মফস্বল শহরের এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ঢাকা


যে কথা, জানা ও শিক্ষা ভুলবার নয় – এটিএম নূরুল আমিন

মাত্র ক’দিন আগে (২৫.০২.২০১৭) জাতীয় জাদুঘরের মিলনায়তনে ড. মাহবুব হোসেন সম্পর্কে অধ্যাপক রেহমান সোবহানের বক্তৃতা শুনে মনে হচ্ছিল, কী করে


দূরে দেখা কাছের মানুষ – মামুন রশীদ

যে ধরনের সম্পৃক্ততা থাকলে একজন ব্যক্তিকে বলা যায় যে, আমি তাকে ভালো জানি, সে ধরনের সম্পৃক্ততা আমার সঙ্গে কখনো অধ্যাপক


বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ – লিনক্লোন চেন

রেহমান সোবহান বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ। জীবনের চলার পথে অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সঙ্গে তিনবার দীর্ঘ সময় কাটানোর সুযোগ আমার হয়েছে। এ


প্রজন্মের পাথেয় – ফাহমিদা খাতুন

বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়াকালে অধ্যাপক রেহমান সোবহানের বৈদেশিক সাহায্য, দারিদ্র্য এবং সরকারি শিল্পোদ্যোগ-বিষয়ক লেখাগুলো পড়েছি। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শিক্ষকদের মাধ্যমেই তাঁর


আমার ঘনিষ্ঠতা: প্রতিচ্ছবি – মুনির কুদ্দুস

অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ লেখার সুযোগ পাওয়ায় আমি আনন্দিত বোধ করছি। তাঁর সঙ্গে আমার


যিনি ডাকলে সবাই আসেন – আবু আহমেদ

প্রফেসর রেহমান সোবহান হলেন এমন এক ব্যক্তি, যিনি ডাকলে সবাই আসেন। গত তিন দশক তিনি অনেক লোককে ডেকেছেন ওনার ডায়ালগে।



উদার মনের অধিকারী – মসিউর রহমান

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসি ১৯৫৯ সালে। জনাব রেহমান সোবহান তখন যুবক শিক্ষক। বিলাত ফেরত রেহমান সোবহানের সাবলীল ইংরেজি ও


অফুরান প্রাণশক্তি – মহিউদ্দিন আলমগীর

দুই অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক অসমতা তত্ত্বের ওপর তর্কসাপেক্ষে অধ্যাপক রেহমান সোবহান সবচেয়ে উর্বর/প্রলিফিক লেখক। এই দুই তত্ত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে


প্রতিষ্ঠান নির্মাতা – সাদিক আহমেদ

অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয় ১৯৭০ সালে। আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র। তিনি

Get CPD's latest research, policy insights, publications, and event updates.