সমস্যা চিহ্নিত করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অগ্রাধিকার সরকারের – ফাহমিদা খাতুন

বিশেষ সাক্ষাৎকারে ড. ফাহমিদা খাতুন

Originally posted in বাংলাদেশ প্রতিদিন on 17 August 2026

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বিনিয়োগ, ব্যাংক খাতের সংকট, রাজস্ব ঘাটতি ও জ্বালানি অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বিশ্লেষণ করেছেন অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি মনে করেন, সরকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত উদ্যোগ ও ফলাফলের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে কথা বলেছেন ড. ফাহমিদা খাতুন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক ইমরান চৌধুরী

বাংলাদেশ প্রতিদিন: সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সামগ্রিকভাবে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও বড় ঘাটতি কী?

ড. ফাহমিদা খাতুন: সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করতে গেলে প্রথমেই মনে রাখতে হবে কী পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। সরকার এমন এক সময়ে ক্ষমতায় এসেছে যখন অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বিনিয়োগ, ব্যাংক খাতের গভীর সংকট, রাজস্ব ঘাটতি এবং জ্বালানি অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। তাই ছয় মাসে অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। সরকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক সংস্কার, রাজস্ব বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কিছুটা আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা এবং সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করাকে ইতিবাচক বলা যায়।

তবে উদ্যোগ ও ফলাফলের মধ্যে এখনো বড় ব্যবধান রয়েছে। প্রবৃদ্ধির গতি দুর্বল, বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়েনি, ব্যাংক খাতের সুশাসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি সীমিত এবং জ্বালানিসংকট আরও প্রকট হয়েছে। এই সমস্যাগুলোর কয়েকটি অবশ্য ভূরাজনৈতিক কারণে আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাত, রাজস্ব আদায় ও বাজার ব্যবস্থাপনায় নেওয়া পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়েছে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রাখলেও নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ করেছে। যাতে উৎপাদন ও বিনিয়োগের ব্যয় কিছুটা কমে, পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপও কিছুটা কমে। তবে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশিত গতিতে কমছে না। উৎপাদন ও বিনিয়োগের ব্যয়ও বেশি। কারণ বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি শুধু চাহিদাজনিত নয়। সরবরাহের ঘাটতি, জ্বালানি ব্যয়, বিনিময় হার, পরিবহন খরচ এবং বাজারের অদক্ষতাও এর সঙ্গে যুক্ত। ফলে শুধু সুদহার দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

ব্যাংক খাতে দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিতকরণ, একীভূতকরণ এবং ব্যাংক রেজল্যুশনের আইনি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা সামনের দিকে আরও স্পষ্ট হবে। কিন্তু ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ উদ্ধার এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির ক্ষেত্রে আরও কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে লক্ষ্য উচ্চাভিলাষী। এটি পূরণ করতে হলে প্রশাসনিক সক্ষমতা, করজাল সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকি বন্ধে দৃশ্যমান ফল দেখাতে হবে। বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা বাড়ানো, সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করা এবং মজুত ও মূল্যসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের মতো কাঠামোগত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরে নামাকে কীভাবে দেখছেন? সাধারণ মানুষের চাপ কমাতে আর কী করা প্রয়োজন?

ড. ফাহমিদা খাতুন: জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমে আসা অবশ্যই স্বস্তির একটি প্রাথমিক সংকেত। জুনে এটি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। তবে এক মাসের তথ্য দেখে মূল্যস্ফীতি টেকসইভাবে কমছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। এখানে মূল্যস্ফীতি কমা এবং পণ্যের দাম কমা-এই দুটির পার্থক্যও বুঝতে হবে। মূল্যস্ফীতি ৯ থেকে ৮ শতাংশে নামার অর্থ দাম কমেছে তা নয়। বরং দাম আগের তুলনায় কিছুটা ধীরগতিতে বাড়ছে। কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মূল্যস্তর ইতোমধ্যে অনেক ওপরে উঠে গেছে। তাই মানুষের আয় না বাড়লে শুধু মূল্যস্ফীতির হার সামান্য কমে বাজারে স্বস্তি আসবে না।

সরকারকে খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা, আমদানির সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া, শুল্ক পরিবর্তনের সুবিধা ভোক্তার কাছে পৌঁছানো এবং বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা, ন্যায্যমূল্যে খাদ্য বিক্রি এবং নগদ সহায়তার পরিধি বাড়ানো দরকার। একই সঙ্গে মজুরি ও মূল্যস্ফীতির ব্যবধান কমাতে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: কেন বারবার গ্যাস ও জ্বালানিসংকট তৈরি হচ্ছে? এটি কি শুধু সরবরাহের সমস্যা?

ড. ফাহমিদা খাতুন: বর্তমান সংকটে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহ বিঘ্নের প্রভাব রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের জ্বালানিসংকট কেবল সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল নয়। এটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতারও বহিঃপ্রকাশ।

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে যথেষ্ট বিনিয়োগ হয়নি। এর বিপরীতে আমদানীকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বা সরবরাহ বিঘ্নিত হলে পুরো ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়ে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আর্থিক দুর্বলতা, বিপুল ভর্তুকি, বকেয়া বিল, অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র, সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং স্বচ্ছ প্রতিযোগিতা ছাড়া সম্পন্ন করা ব্যয়বহুল চুক্তিও সংকটকে গভীর করেছে।

সুতরাং এটি একই সঙ্গে সরবরাহ, অর্থায়ন, অবকাঠামো, চুক্তি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সমস্যা। সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু দোকানপাট আগেভাগে বন্ধ করা বা লোডশেডিং দীর্ঘায়িত করা টেকসই সমাধান নয়। দোকানপাট আগে বন্ধ করা মানে দোকানিদের কেনাবেচা সীমিত করা, তাদের আয় কমে যাওয়া। সরকারকে স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা এবং আমদানির উৎস বহুমুখীকরণের সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: জ্বালানিসংকট অব্যাহত থাকলে অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, যন্ত্রপাতির পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হয় না এবং সময়মতো রপ্তানি আদেশ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে এবং নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়। বিদ্যমান শিল্পও উৎপাদন কমাতে বা শ্রমিক ছাঁটাই করতে বাধ্য হতে পারে।

এর প্রভাব শুধু বড় শিল্পে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, পরিবহন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সেবা খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উৎপাদন কমলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কমে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে রপ্তানি ও রাজস্ব আয় কমবে, ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা দুর্বল হবে এবং নতুন খেলাপি ঋণ তৈরি হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, জ্বালানি অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে। একটি কারখানার জন্য শুধু বিদ্যুতের সংযোগ পাওয়া যথেষ্ট নয়; উদ্যোক্তাকে নিরবচ্ছিন্ন ও পূর্বানুমানযোগ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার কতটা সফল হয়েছে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: এ পর্যন্ত বেসরকারি বিনিয়োগে দৃশ্যমান গতি ফেরেনি। বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসা বিনিয়োগের দুর্বলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। উচ্চ সুদহার এর একটি কারণ হলেও মূল সমস্যা আরও বিস্তৃত। জ্বালানিসংকট, বিনিময় হারের ঝুঁকি, নীতির অনিশ্চয়তা, দুর্বল অবকাঠামো, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং আইনশৃঙ্খলা ও চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ উদ্যোক্তাদের নতুন বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখছে।

সরকার বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে এবং কিছু নীতিগত সুবিধার কথা বলেছে। কিন্তু বিনিয়োগ কেবল প্রণোদনা বা ঋণের সুদ কমানোর মাধ্যমে আসে না। উদ্যোক্তারা প্রথমে দেখতে চান বিদ্যুৎ-গ্যাস পাওয়া যাবে কি না, নীতি ধারাবাহিক থাকবে কি না, কর ও শুল্ক সিদ্ধান্ত পূর্বানুমানযোগ্য কি না এবং কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যাবে কি না। তাই বিনিয়োগে এখন পর্যন্ত সাফল্য সীমিত। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা, বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা এবং জ্বালানি সরবরাহের নির্ভরযোগ্য রোডম্যাপ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও দুর্বল ব্যাংকের সমস্যা সমাধানে সরকার কতটা সফল?

ড. ফাহমিদা খাতুন: ব্যাংক খাতের দুর্বলতা স্বীকার করা এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর সমাধানের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া ইতিবাচক। তবে সংস্কারের সাফল্য সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তা ছাড়া একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্বল ব্যাংকগুলোর দায় শেষ পর্যন্ত আমানতকারী বা করদাতার ওপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। যারা অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ নিয়েছেন, অর্থ পাচার করেছেন বা ব্যাংক পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সম্পদের গুণগত মান পর্যালোচনা সম্পন্ন করা, প্রকৃত খেলাপি ঋণের হিসাব প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীন তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমানতকারীর আস্থা রক্ষা করার মাধ্যমে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা করতে হবে। সরকার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেটি বজায় থাকলেই কেবল ফলাফল অর্জনের পর্যায়ে পৌঁছা যাবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন: আগামী ছয় মাসে সরকারকে কোন তিনটি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে?

ড. ফাহমিদা খাতুন: প্রথমত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের জীবনযাত্রার চাপ কমানো। এর জন্য খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ, বাজার প্রতিযোগিতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং আয় বৃদ্ধির সমন্বিত ব্যবস্থা দরকার।

দ্বিতীয়ত, জ্বালানি নিরাপত্তা ও উৎপাদন সচল রাখা। শিল্প, কৃষি ও সেবা খাতে গ্যাস-বিদ্যুতের পূর্বানুমানযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরি কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ব্যয়বহুল চুক্তি পর্যালোচনা, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং দক্ষ ব্যবহার বাড়াতে হবে।

তৃতীয়ত, ব্যাংক, রাজস্ব ও বিনিয়োগ পরিবেশে বিশ্বাসযোগ্য সংস্কার। ব্যাংক খাতের গভীর সংস্কার, করজাল সম্প্রসারণ এবং নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগসহ উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন সহজ করতে হবে।

সরকারের সামনে প্রধান কাজ হবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, উৎপাদনের বাধা দূর করা এবং মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়ানো। আগামী ছয় মাসে কয়েকটি অগ্রাধিকারযোগ্য বিষয়ে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য ফল দেখাতে পারলে অর্থনীতিতে আস্থা ফিরতে শুরু করবে।

Get CPD's latest research, policy insights, publications, and event updates.