Originally posted in জাতীয় অর্থনীতি on 11 September 2026
১৪৯ একর জমি অব্যবহৃত প্রশ্নের মুখে হাই-টেক স্বপ্ন
হারুনুর রশিদ, ঢাকা: তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে গত দেড় দশকে দেশে একের পর এক হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ও আইটি ট্রেনিং-ইনকিউবেশন সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। ব্যয় হয়েছে বিপুল অর্থ। কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণের পরও কাঙ্ক্ষিত গতি আসেনি বিনিয়োগে। দেশের বর্তমানে অপারেশনাল তিনটি হাই-টেক পার্কে এখনও পড়ে আছে অন্তত ১৪৯ একর বরাদ্দযোগ্য জমি। এর মধ্যে কিছু পার্কে প্রতিষ্ঠানকে জমি ও স্পেস বরাদ্দ দেওয়া হলেও দীর্ঘ সময়েও অনেক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম শুরু করেনি। কোথাও বরাদ্দযোগ্য জমি পড়ে আছে, কোথাও নির্মিত ভবন ও স্পেস অব্যবহৃত, আবার কোথাও অবকাঠামো থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনাগত সমস্যায় ব্যবসা ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেশের সবচেয়ে বড় হাই-টেক পার্কে ৩৭১ একর জমির মধ্যে ২৪০ একর বরাদ্দযোগ্য। এর মধ্যে ১৭৮ একর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখনও বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে ৬২ একর জমির। প্রশাসনিক ও সোস্যাল ব্লকে আরও ১৯ একর জমি ফাঁকা রয়েছে। এই পার্কে মোট ৮৫টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি বিদেশি কোম্পানি। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ৩৮টি প্রতিষ্ঠান ব্যবসা বা উৎপাদন শুরু করেছে, ২৫টি নির্মাণ পর্যায়ে রয়েছে এবং ২২টি এখনও কাজ শুরু করেনি। জমি বরাদ্দ পাওয়ার পরও প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম শুরু করেনি। আবার যেসব প্রতিষ্ঠান নির্মাণ পর্যায়ে রয়েছে, তাদেরও পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যেতে কত সময় লাগবে, সেটিও স্পষ্ট নয়। ইঞ্জিনিয়ারিংকোর্স করুন
কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের উপসহকারী প্রকৌশলী ইমাম মেহেদী বলেন, যেসব কোম্পানি বরাদ্দ নেওয়ার পরও কাজ শুরু করেনি, তাদের কার্যক্রম শুরু করতে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। তাগিদ দেওয়ার পরও কোনো কোম্পানি যোগ্যতা হারালে তাদের বরাদ্দ বাতিল করে জমি বুঝে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে দুটি কোম্পানির জায়গা বুঝে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, সামিট ও টেকনোসিটির অব্যবহৃত জায়গাগুলোও হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বুঝে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব জায়গা নতুন কোম্পানিকে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
রাজশাহী হাই-টেক পার্কেও রয়েছে বড় পরিমাণ অব্যবহৃত জমি। ৩২ দশমিক ৬৩ একর মোট জমির মধ্যে বরাদ্দযোগ্য ১৩ দশমিক ৪০ একর। এর মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২ একর। অর্থাৎ আরও ১১ একর জমি বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই পার্কে মোট ২৬ টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কাজ শুরু করেছে ২০টি।
রাজশাহী আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে নির্মিত স্পেসের পরিমাণ ৭২ হাজার বর্গফুট। এর বাইরে ডে-কেয়ার, অডিটোরিয়াম, রিসিপশন, অফিস রুম, মিটিং রুম, লাইব্রেরি, নামাজ ঘর ও গেস্ট রুমসহ কমন স্পেস রয়েছে ৪৯ হাজার ৪৫ বর্গফুট। মোট বরাদ্দযোগ্য স্পেস ১ লাখ ২ হাজার ৯১৫ বর্গফুট। এর মধ্যে ৮০ হাজার ৩৫২ বর্গফুট বরাদ্দ দেওয়া হলেও এখনও ২২ হাজার ৫৬৩ বর্গফুট খালি রয়েছে।
সিলেটের হাই-টেক পার্কের চিত্র আরও হতাশাজনক। কর্তৃপক্ষের বরাদ্দসংক্রান্ত তথ্যে মোট জমির পরিমাণ ১৭২ একর। এর মধ্যে বরাদ্দযোগ্য ১২০ একর এবং বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৪ একর। অর্থাৎ ৭৬ একর এখনও বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রায় ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হয় পার্কটি। ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর এর উদ্বোধন করা হয়। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং অর্ধ-লক্ষাধিক দক্ষ-অদক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের প্রত্যাশা ছিল। সে লক্ষ্যেই ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে জমি এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে ১৪ হাজার ৭৬০ বর্গফুট স্পেস ৪০ বছরের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়ার পরও অনেকে ব্যাংক ঋণ না পাওয়ায় বিনিয়োগ থেকে সরে দাঁড়ান। আবার কেউ কেউ গ্যাস ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না পাওয়ায় বিনিয়োগ স্থগিত রাখেন। নোহা অ্যান্ড সোহান এন্টারপ্রাইজ পাঁচ তারকা হোটেলের জন্য জমি বরাদ্দ নিয়েও ব্যাংক ঋণ না পেয়ে চুক্তি বাতিল করে। সিমেড লিমিটেডও বরাদ্দকৃত জমি ছেড়ে দেয়। মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে জমি ও স্পেস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু করেছে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান।
২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রকল্পটি স্থগিত বা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর প্রকল্পের অগ্রগতি ও অর্থায়ন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব দেয়। বর্তমান সরকার পার্কটি কার্যকর করার পরিকল্পনা নিলেও বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে কবে নাগাদ পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
চট্টগ্রামের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে স্পেস ৮৯ হাজার বর্গফুট। বরাদ্দযোগ্য ৭১ হাজার ২০০ বর্গফুটের মধ্যে ৫০ হাজার ৪০০ বর্গফুট ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খালি রয়েছে ৩ হাজার বর্গফুট। বাকি অংশ কমন স্পেস হিসেবে ব্যবহারের জন্য রয়েছে।
যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে বরাদ্দযোগ্য জমি ও স্পেস ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৫ বর্গফুট। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৬৩ বর্গফুট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খালি রয়েছে ২০ হাজার ৩৮৯ বর্গফুট। সেখানে জমি বা স্পেস পাওয়া ৬১টি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
অন্যদিকে চুয়েট আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরে বরাদ্দযোগ্য স্পেস ৪০ হাজার বর্গফুট হলেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৩৭৯ বর্গফুট।
নির্মিত প্রকল্পগুলো বিনিয়োগ টানতে না পারলেও নতুন প্রকল্প থেমে নেই। চলমান আইটি ও হাই-টেক পার্ক প্রকল্পের মধ্যে রংপুরে ১০ দশমিক ৭৭ একর, নাটোরে ৯ দশমিক ২৮২৬ একর, ময়মনসিংহে ৭ একর, জামালপুরে ৫ দশমিক ২৩ একর, ঢাকায় ৩ দশমিক ২৭২ একর, বরিশালে ৬ দশমিক ৬৯ একর, খুলনায় ৩ দশমিক ৫৯৭২ একর এবং গোপালগঞ্জে ৪ একর জমি রয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যমান পার্ক ও সেন্টারগুলোর জমি-স্পেস পুরোপুরি ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার আগেই নতুন নতুন অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। বিনিয়োগস্কিম দেখুন
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (বিনিয়োগ অধিশাখা) শাহরিয়ার আল হাসান বলেন, যেসব কোম্পানি এখনও নির্মাণকাজ শুরু করেনি বা বিনিয়োগ করেনি, তাদের দ্রুত কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এমন ১০টি কোম্পানিকে চিঠি দিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ ও বিনিয়োগ শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন দেশে আয়োজিত রোডশোতে হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ অংশ নিত। বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নতুন করে কী ধরনের কার্যক্রম নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ করা হচ্ছে।
শুধু জমি বরাদ্দ নয়, পার্কের দৈনন্দিন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের প্রতিষ্ঠান ফেলিসিটি আইটির জেনারেল ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান মূল ভবনে নেই। তাদের জন্য আলাদা জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং ওই জমিতে তারা নিজেদের অবকাঠামো ও ভবন তৈরি করেছেন।
বিদ্যুতের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের নিজেদের বিদ্যুতের ব্যবস্থা করার শর্ত ছিল। পাশে সাবস্টেশন থাকায় তারা সেই ব্যবস্থা করতে পেরেছেন। তাদের সেন্টারে গ্যাসের প্রয়োজনও পড়ে না।
তবে পার্কের খালি স্পেসে কোম্পানিগুলো আগ্রহ না দেখানোর অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি অপারেশনাল সমস্যাকে চিহ্নিত করেন। তার ভাষায়, ফ্যাসিলিটিজের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো হচ্ছে না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি রয়েছে, লিফট নষ্ট থাকে এবং জেনারেটর থাকলেও তেল থাকে না। এসব কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে।
এই বাস্তবতার মধ্যেই হাই-টেক পার্কগুলোকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে নতুন নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। গত ২২ আগস্ট যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে এর খসড়া প্রকাশ করা হয়। বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে দুই মাসের মধ্যে নির্দেশিকাটি অনুমোদনের কথা রয়েছে।
খসড়া নির্দেশিকায় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বিভিন্ন আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারে অভিন্ন, মানসম্মত ও প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। প্রশিক্ষণের বিষয়, কারিকুলাম ও দক্ষতার মান নির্ধারণে শিল্পখাতের চাহিদাকে অগ্রাধিকার এবং সময়ের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়মিত হালনাগাদের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
একইসঙ্গে ল্যাবসহ সব অবকাঠামো, ইউটিলিটি ও প্রযুক্তিগত সম্পদের নিরাপদ, সর্বোচ্চ কার্যকর ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ, সম্পদভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, নির্ধারিত সেবার মান নিশ্চিত করা, সম্পদ বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয় কমানো এবং অপচয় রোধের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মপরিবেশে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত, আন্তর্জাতিক মানসম্মত ব্যবস্থাপনা এবং স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ডিজিটাল রেকর্ডভিত্তিক পরিচালনা সংস্কৃতির কথাও বলা হয়েছে।
সেমিনারে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, নির্দেশিকাটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোর সেবার মান ও দক্ষতা বাড়বে। তরুণদের কর্মসংস্থান ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে, নতুন উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ তৈরি হবে এবং প্রযুক্তি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে। ইঞ্জিনিয়ারিংকোর্স করুন
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, শুধু ব্যবস্থাপনা কাঠামো তৈরি করলেই হবে না; বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখা এবং বরাদ্দ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিশ্চিত করাই এখন বড় পরীক্ষা।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, হাই-টেক পার্কে প্রস্তাবিত ও বাস্তব বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের বড় ব্যবধান পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও বিনিয়োগ আহরণে দুর্বলতারই ইঙ্গিত দেয়। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই বিনিয়োগ আসে না; নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস, উন্নত যোগাযোগ, দক্ষ জনবল, নীতির ধারাবাহিকতা, সহজ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হয়।
তার মতে, প্রকল্প গ্রহণের আগে চাহিদা ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতাও যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি ছিল। এখন নতুন পার্ক নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান পার্কগুলোর স্বাধীন মূল্যায়ন, অব্যবহৃত সক্ষমতার সদ্ব্যবহার এবং ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করে সময়বদ্ধ বিনিয়োগ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ এবং অগ্রগতি প্রকাশ করা দরকার।


